প্রজাপতি সম্পর্কিত কিছু অজানা তথ্য :-
- পেট্রিক লাফকাদিও হার্রন এর মতানুসারে প্রজাপতিকে জীবিত অথবা মৃত ব্যক্তির আত্মার ব্যক্তিত্ব রূপে দেখা হতো। জাপানে লোক মুখে কথিত আছে যে "যদি কোনো প্রজাপতি করোও অতিথিশালায় প্রবেশ করে তবে ওই বাড়িতে সে যাকে বেশি ভালোবাসে সে তার বাড়িতে খুব শিগগিরই বেড়াতে আসবে।"
অধিক শঙ্খক প্রজাপতি খারাপ লক্ষণ হিসেবে দেখা হতো। টায়রা নো মাসাকাডো যখন গোপনভাবে বিদ্রোহের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল তখন জাপানের কিওটো শহরে এক ঝাঁক প্রজাপতি প্রবেশ করেছিল। একঝাঁক প্রজাপতির আগমন দেখে সেখানকার লোকজন ভীষণ ভয় পেয়েগেছিল এই ভেবে যে "প্রজাপতির আগমন শয়তানের আগমনের প্রতীক বহন করে।" রোমানের একটি মৃত ব্যাক্তির ভাস্কর্যের চিত্রের মুখের বাহিরে একটি প্রজাপতির ছবি আঁকা আছে, রুমানিরা বিশ্বাস করত যে তাদের আত্মা বের হয় মুখ দিয়ে।
প্রজাপতি নামটি আসে প্রাচীন গ্রিস শব্দ Psyche থেকে যার প্রাথমিক অর্থ দাঁড়া soul or mind অর্থাৎ আত্মা বা মন।
মিরশা ইলিয়াড এর মতে মায়ানমারের কিছু নিগ্রোর উৎপত্তি হয়েছে প্রজাপতি থেকে। কিছু সভ্যতায় প্রজাপতিকে পুনর্জন্মের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রজাপতিকে স্ত্রী/পুরুষ নির্বাচন করা যায় না যতক্ষণ না পর্যন্ত তাদের পাখা গজায়। প্রজাপতির মেইল/ফিমেইল চিহ্নিত করা হয় তাদের ডানা দেখে।
ব্রিটিশ কান্ট্রি ডেভনের মানুষ বিশ্বাস করত যে বছরের শুরুতে কেউ যদি একটি প্রজাপতি মারে তাহলে সে তার পুরু এক বছরের দূর ভাগ্য দূর করে ফেলেছে।
ফিলিপাইনে বিশ্বাস করা হত "এক প্রজাতির কালো প্রজাপতি অথবা মথ যদি ঘরে আসতো তাহলে ওই পরিবারের কেউ একজন মারা যাবে "।